প্লে তে বাচ্চাদের স্কুল জীবনের শুরু:
প্লে মূলত বাচ্চাদেরকে স্কুলের সাথে পরিচিত করার জন্য। এই শ্রেণীতে তেমন কোনো পড়ার চাপ থাকে না খেলার ছলে শিশুদের শিখানো হয়।
নার্সারি:
নার্সারিতে শিশুদের কে একটু একটু করে খেলার ছলে, কৌশলে অক্ষর এর সাথে পরিচয় করানো হয়। যেমন- ক, খ, গ, ঘ, অ, আ, ই, ঈ, A, B, C, D ইত্যাদি।
ক্লাস ওয়ান:
ক্লাস ওয়ানে বাচ্চারা একটু আধটু রিডিং পড়তে ও লিখতে শিখে। ভাংগা ভাংগা রিডিং পড়ে।
ক্লাস টু থেকে ক্লাস সেভেন অব্দি বাচ্চাদের মেধা বিকাশের এবং শিক্ষার গোড়া শক্ত করার উপযুক্ত সময় এটা।
ক্লাস এইট ( জে. এস.সি): ক্লাস এইট এ মূলত পড়ালেখার চাপটা আস্তে আস্তে বাড়ে। জে. এস. সি পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার মান ও কতটুকু মেধা বিকাশ হয় সেটা যাচাই করা যায়।
ক্লাস ওয়ান থেকে এইট পর্যন্ত প্রত্যেকটা ক্লাসই গুরুত্বপূর্ণ কেননা এগুলো ছাড়া অক্ষর চিনতে পারবে না অক্ষর না চিনলে পরতেও পারবে না আবার পড়তে পারলেও ঠিকমতো যদি না পড়ে তাহলে মেধা বিকাশও হবে না।
ক্লাস ওয়ান থেকে ফাইভ প্রাইমারি স্কুল জীবন:
স্কুল জীবনে অনেক ঘটনাই ঘটে যা পরবর্তী জীবনে আমাদের সৃতিচারণ হয়ে থাকে। এই স্কুল জীবন ওই তোমার জীবনের শ্রেষ্ট সময়, যা তুমি বড় হলে বুঝতে পারবে।
তাই এই স্কুল জীবনটাকে সুন্দর ও সৃতিচারণ করতে ভালো করে পড়ালেখা করবে। সবার সাথে ভালো ব্যবহার করবে। বন্ধ বান্ধবী, শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের সাথে তোমার ভাল লাগা মন্দ লাগা বিষয় নিয়ে কথা বলবে, তারা তোমাকে সহোজগীতা করবে।
ক্লাস ওয়ান থেকে ফোর পর্যন্ত যে যে বিষয় গুলো থাকে তাহলো
- বাংলা
- ইংরেজি
- গণিত।
ক্লাস ফাইভে রয়েছে বাংলা,ইংরেজি, গণিত, সামাজিক বিজ্ঞান, সাধারণ বিজ্ঞান ইত্যাদি।
ক্লাস ফাইভে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। শুধুমাত্র ভালো করে পরলেই বৃত্তি পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করতে পারবে।
ক্লাস সিক্স থেকে এইট হাই স্কুল :
এটা স্কুল জীবনের মাধ্যমিক পর্যায় : এই সময়ের পরালেখাই তোমার বাস্তব জীবনে সফলতা অর্জন করতে সহোজগীতা করবে। তাই এই সময়ের পড়া গুলো এমন ভাবে বলতে বুঝে পড়বে তাহলে অনেকদিন পজন্ত মনে থাকবে।
ক্লাস সিক্স থেকে সেভেন এ যে যে বিষয় গুলো থাকে তা হল
- বাংলা প্রথম পত্র
- দ্বিতীয় পত্র
- ইংরেজি প্রথম পত্র
- দ্বিতীয় পত্র
- গণিত
- সামাজিক বিজ্ঞান
- সাধারণ বিজ্ঞান ইত্যাদি
ক্লাস এইট : ক্লাস এইটেও ক্লাস সিক্স সেভেনের মতোই একি বিষয় রয়েছে তবে ক্লাস এইটে জে.এস. সি পরীক্ষা দিতে হয় ঐ পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে তবেই ক্লাস নাইনে ভর্তি হতে পারবে। জে.এস. সি পরীক্ষায় পাশ না করে নাইনে কেও উঠতে পারবে না।
টিপস :
বাচ্চাদের মূল্যবোধ এবং নৈতিকতা অর্জন করতে খেলাধুলার পাসাপাশি বই পড়ার গুরুত্ব অনেক।
বাচ্চাদের ভালো ফলাফল অর্জন করার টিপস :
ভালো করার জন্য বাচ্চাদের অভিভাবককে সচেতন থাকতে হবে। স্কুলে কি পড়া দিছে তা জানার জন্য ডায়েরি দেখতে হবে। এবং বাচ্চাদের সম্পর্কে টিচার কি মন্তব্য করতেছেন? সেটাও চেক করতে হবে।
Post a Comment
0Comments